» মসজিদের বাইরে উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে আজান দেয়া।
» যথাসম্ভব উচ্চস্বরে আজান দেয়া দরকার। তবে একা একা নামাজ আদায়ের জন্য স্বাভাবিকভাবে আজান দিলেও চলবে।
» আজানের সময় শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা উভয় কানের ছিদ্র বন্ধ করে রাখা মুস্তাহাব।
» মদ ও গুন্নাহ আদায়পূর্বক আজানের শব্দগুলো লম্বা করে থেমে থেমে বলা সুন্নত, যাতে প্রত্যেক বাক্য উচ্চারণের পর শ্রোতারা জবাব দিতে পারে।
» ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ বলার সময় ডান দিকে ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময় বাম দিকে মুখ ফিরানো সুন্নত।
» আজান ও ইকামতের সময় কিবলার দিকে ফিরে থাকা সুন্নত।
» আজান দেয়ার সময় ‘হদসে আকবর’ (অর্থাৎ বড় নাপাকি। যথা যৌনকারণে বীর্যপাত হওয়া, স্বপ্ন দোষ হওয়া। এ ধরনের নাপাকি দূর করার জন্য নিয়ম অনুযায়ী গোসল করা জরুরী তবে অজু-গোসলের পানি না থাকিলে তায়াম্মুম দ্বারাও উভয় প্রকারের অপবিত্রতা দুর করা যায়) থেকে মুক্ত বা পবিত্র হওয়া সুন্নত। বে-গোসল অবস্থায় আজান দেয়া মাকরূহে তাহরিমী।
» ফরজে আইন (অর্থাত্ যে কাজ প্রত্যেক বালেগ, বিবেকবান নর-নারীর উপর সমানভাবে ফরজ। যেমন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া) ব্যতীত অন্য কোনো নামাজের জন্য আজান-ইকামত লাগে না। যেমন জানাজার নামাজ, বিতর নামাজ, ঈদের নামাজ, কুসূফ-খুসূফের নামাজ ও ইস্তেস্কার নামাজ।
» আজান বা ইকামত দেয়ার সময় কথা বলা নিষেধ।