![]() |
| শিশুর খাদ্য তালিকা |
শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সঠিক ও পুষ্টিকর খাদ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নবজাতক থেকে শুরু করে ছোট শিশুর জন্য খাবারের ধরন ও সময়সূচি গুরুত্বপূর্ণ।
---
👶 নবজাতক (১–৬ মাস)
মুখ্য খাবার: মায়ের বুকের দুধ
পুষ্টি উপকারিতা: সমস্ত প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিবডি সরবরাহ করে।
টিপস: প্রথম ৬ মাস শুধুই বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত, পানি বা অন্যান্য খাবার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
---
👶 ৬–১২ মাস বয়সের শিশু
প্রারম্ভিক খাবার: দুধের পাশাপাশি হালকা পিউরি, ওটস, ভাত, ডাল এবং সবজি
ফলমূল: কলা, আপেল, পাকা পেয়ারা, পেঁপে
টিপস: খাবার ছোট ছোট করে দিন এবং পুষ্টি নিশ্চিত করুন।
---
👶 ১–৩ বছর বয়সের শিশু
প্রোটিন: ডিম, মুরগি, মাছ, পনির
শস্য ও কার্বোহাইড্রেট: চিনি কমানো ভাত, রুটি, ওটস
সবজি: গাজর, ব্রকলি, পটল, পালং শাক
ফল: তরমুজ, কমলা, আপেল
দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য: প্রতিদিন দুধ বা দই খাওয়ানো উচিত।
---
👶 ৩–৬ বছর বয়সের শিশু
সুষম খাদ্য: প্রোটিন, শস্য, শাকসবজি, ফল ও দুগ্ধজাত খাবার
স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস: বাদাম, চিরুনি, হালকা স্যান্ডউইচ, ফলের জুস
টিপস: চিপস, ক্যান্ডি বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।
---
🍼 শিশুর খাদ্য সম্পর্কে সাধারণ টিপস
1. খাবার ছোট ছোট করে দিন যাতে শিশুর হজম সহজ হয়।
2. শিশুকে ঘন ঘন খাবার দিন (দিনে ৫–৬ বার)।
3. বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি দিয়ে খাবার সাজান, এতে শিশু খেতে আগ্রহী হবে।
4. পানি ও তরল খাবার পর্যাপ্ত রাখুন।
5. শিশু কিছুভাবে খাবার অস্বীকার করলে ধৈর্য ধরে আবার চেষ্টা করুন।
---
✅ উপসংহার
শিশুর সঠিক খাদ্য তালিকা মেনে চললে তার বৃদ্ধি, শক্তি, মানসিক বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। বয়স অনুযায়ী খাবার নির্বাচন এবং পুষ্টিকর উপাদান নিশ্চিত করাই শিশুর সুস্থতা রক্ষার মূল চাবিকাঠি।
---
