![]() |
| বাতের কারণ |
বাত (Gout) হলো একধরনের আর্থ্রাইটিস, যা ইউরিক অ্যাসিডের জমে যাওয়ার কারণে হয়। এতে হাড় ও সংযোগস্থলের (Joint) প্রদাহ, ব্যথা ও 붓া দেখা দেয়। সাধারণত এটি পায়ের আঙুলের বিশেষত বড় আঙুলে শুরু হয়।
---
⚠️ বাতের কারণ
ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি: দেহে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড জমা হলে।
পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার: লাল মাংস, সামুদ্রিক মাছ, লিভার, কোকোলেট, সডা।
অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা।
মদ্যপান: বিশেষ করে বিয়ার।
ডিহাইড্রেশন: পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া।
বংশগত কারণ: পরিবারের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি।
---
🩺 বাতের লক্ষণ
হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা ও ফোলা সংযোগস্থল
সংক্রমিত অংশে লালচে রঙ
স্পর্শে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও অস্বস্তি
রাতে বা সকালে ব্যথা বেশি হওয়া
সংযোগস্থলের চলাফেরায় সমস্যা
---
🧬 বাতের প্রকারভেদ
1. Acute Gout: হঠাৎ আক্রমণ, মূলত বড় আঙুলে।
2. Chronic Gout: বারবার আক্রমণ, দীর্ঘ সময় ধরে সংযোগস্থল ক্ষয়।
3. Tophaceous Gout: ইউরিক অ্যাসিডের থলি জমে দেহে গিঁট তৈরি।
---
🛡️ বাতের চিকিৎসা
ওষুধ: ব্যথা কমানোর জন্য NSAIDs, কোর্টিকোস্টেরয়েড, ইউরিক অ্যাসিড কমানোর ওষুধ।
ডায়েট পরিবর্তন: পিউরিন কম খাবার খাওয়া।
পানি বেশি খাওয়া: ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের করতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: স্থূলতা কমালে আক্রমণ কম হয়।
ব্যায়াম: হালকা ব্যায়াম সংযোগস্থল শক্ত রাখে।
---
👨⚕️ বাত প্রতিরোধে করণীয়
পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার সীমিত করা।
পর্যাপ্ত পানি পান করা।
নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা।
স্থূলতা বা ওজন বৃদ্ধি এড়ানো।
মদ্যপান ও ধূমপান পরিহার।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।
---
✅ উপসংহার
বাত একটি যন্ত্রণাদায়ক রোগ, কিন্তু সচেতন জীবনধারা, সুষম খাদ্য এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক যত্ন নিলে আক্রমণ ও ব্যথা অনেক কমে যায়।
---
