![]() |
| ডেঙ্গু: কারণ, লক্ষণ |
ডেঙ্গু (Dengue) একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। বর্ষা মৌসুমে এ রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। সময়মতো চিকিৎসা না করলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
---
⚠️ ডেঙ্গুর কারণ
ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী এডিস ইজিপ্টি মশার কামড়
অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জমে থাকা পানি (যেখানে এডিস মশা জন্মায়)
মশার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া
---
🩺 ডেঙ্গুর লক্ষণ
1. হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০৪°F পর্যন্ত হতে পারে)
2. তীব্র মাথাব্যথা
3. চোখের পেছনে ব্যথা
4. শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা
5. বমি বমি ভাব বা বমি
6. গায়ে ফুসকুড়ি বা লালচে দাগ
7. গুরুতর ক্ষেত্রে নাক, মাড়ি বা শরীর থেকে রক্তপাত
---
🛡️ ডেঙ্গুর প্রতিকার
1. ডাক্তারের পরামর্শ নিন – ডেঙ্গুর চিকিৎসা অবশ্যই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে করতে হবে।
2. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন – রোগীর শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি।
3. পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করুন – শরীরে পানিশূন্যতা এড়াতে বেশি পানি, ডাবের পানি, স্যুপ, ফলের রস ইত্যাদি খাওয়া উচিত।
4. প্যারাসিটামল ব্যবহার করুন – জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যায় (ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী)।
5. এড়িয়ে চলুন – ব্যথানাশক যেমন আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন ব্যবহার করা যাবে না, কারণ এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।
6. গুরুতর লক্ষণে হাসপাতালে ভর্তি হন – রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট বা তীব্র দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি।
---
👨⚕️ ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়
বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন।
কোথাও পানি জমতে দেবেন না (বালতি, টব, ফুলের টব, পুরনো টায়ার ইত্যাদি)।
মশারি ব্যবহার করুন।
শরীর ঢাকা যায় এমন পোশাক পরুন।
মশা প্রতিরোধক স্প্রে বা লোশন ব্যবহার করুন।
---
✅ উপসংহার
ডেঙ্গু একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। সচেতনতা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখলে এ রোগ থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
---
🟢
