![]() |
| শিশুর স্বাস্থ্য: যত্ন |
শিশুর স্বাস্থ্য প্রতিটি অভিভাবকের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও চিন্তার বিষয়। একটি সুস্থ শিশু শুধু পরিবারের আনন্দই নয়, সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্যও অপরিহার্য। জন্মের পর থেকেই শিশুর সঠিক যত্ন, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবিধি মানলে তাকে অনেক রোগ থেকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব।
---
👶 শিশুর সুস্থ থাকার জন্য যা জরুরি
১. সুষম খাদ্য
শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য দুধ, ডিম, শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, মাংস এবং শস্যজাতীয় খাবার অপরিহার্য।
শিশুর প্রথম ৬ মাস কেবলমাত্র মায়ের দুধ দেওয়া উচিত।
বড় হওয়ার সাথে সাথে ভাত, ডাল, শাকসবজি, মাছ ও ফল ধীরে ধীরে খাওয়ানো উচিত।
২. নিয়মিত টিকা
শিশুকে সময়মতো টিকা দিলে হামের মতো মারাত্মক রোগ, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, হেপাটাইটিস-বি ইত্যাদি থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
৩. স্বাস্থ্যবিধি
শিশুকে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি।
খাবারের আগে ও টয়লেটের পরে হাত ধোয়ার অভ্যাস করানো উচিত।
খেলনার জিনিসপত্রও পরিষ্কার রাখতে হবে।
৪. পর্যাপ্ত ঘুম
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। ছোট শিশুদের দৈনিক ১০-১৪ ঘণ্টা ঘুম জরুরি।
৫. মানসিক যত্ন
শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দিতে হবে। তার সাথে গল্প করা, খেলাধুলা করা এবং ভালোবাসা দেওয়া শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
---
⚠️ শিশুদের সাধারণ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা
ডায়রিয়া
নিউমোনিয়া
সর্দি-কাশি
অপুষ্টি
চর্মরোগ
এসব সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
---
✅ শিশুর স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়
1. প্রতিদিন শিশুকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো।
2. বাইরে খাওয়ার পরিবর্তে ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার দেওয়া।
3. অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড, কোমল পানীয় ও চিপস থেকে বিরত রাখা।
4. শিশুকে প্রতিদিন অন্তত কিছুক্ষণ খেলাধুলা করতে দেওয়া।
5. সময়মতো টিকা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো।
---
🟢 উপসংহার
শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষা করা শুধু পরিবারের নয়, জাতির ভবিষ্যৎ সুরক্ষার অংশ। সঠিক খাবার, সময়মতো টিকা, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক যত্নের মাধ্যমে একটি শিশু সুস্থ, সবল ও বুদ্ধিমান হয়ে উঠতে পারে।
---
🟢
