![]() |
| গর্ভাবস্থায় গ্যাসস্টিক দূর করার উপায় |
গর্ভাবস্থায় হজমের সমস্যা ও গ্যাসস্টিক (অ্যাসিডিটি) খুব সাধারণ সমস্যা। হরমোন পরিবর্তন ও প্রসবের জন্য শরীরের অনেক সিস্টেম ধীরে কাজ করে। এতে পেট ফোলা, গ্যাস, অম্বল, জ্বালা বা বমি ভাব দেখা দিতে পারে। গ্যাসস্টিক নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু সহজ ঘরোয়া টিপস ও খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা জরুরি।
---
🟢 গ্যাসস্টিকের সাধারণ কারণ
1. হরমোন পরিবর্তন – প্রোজেস্টেরোন হরমোন হজমের গতি ধীর করে।
2. বেশি ফাস্টফুড ও মশলাযুক্ত খাবার।
3. দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকা।
4. অপ্রতুল পানি পান বা অযথা চা-কফি সেবন।
5. অত্যধিক চাপ বা স্ট্রেস।
---
🥗 গ্যাসস্টিক কমানোর সহজ টিপস
১. ছোট ছোট খাবার খান
বড় খাবার একবারে না খেয়ে দিনে ৫–৬ বার ছোট পরিমাণে খাবার নিন।
২. ধীরে খেয়ে চিবিয়ে খান
খাবার ভালোভাবে চিবানো হজমকে সহজ করে এবং গ্যাস কম হয়।
৩. পানি পর্যাপ্ত পান করুন
প্রতিদিন ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন। তবে খাবারের সাথে অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
৪. মশলাযুক্ত ও তেলেভাজা কম খান
চিকেন, মাছ বা ডাল রান্নায় অতিরিক্ত তেল বা মশলা কম ব্যবহার করুন।
৫. হালকা ব্যায়াম করুন
ভোরবেলা হালকা হাঁটা বা যোগব্যায়াম হজমে সহায়তা করে।
৬. চা-কফি ও কোমল পানীয় কমান
অতিরিক্ত ক্যাফেইন অ্যাসিডিটি বাড়ায়।
৭. বিশ্রাম নিন
শরীর বিশ্রাম পেলে হজমের সমস্যা কমে।
৮. ভেন্ট্রিকল ম্যাসাজ
পেটের উপরের অংশে হালকা ঘূর্ণনীয় ম্যাসাজ করলে গ্যাস নির্গত হতে সাহায্য করে।
--
⚠️ সতর্কবার্তা
❌ যদি গ্যাসের সঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা, বমি, রক্তপাত বা জন্ডিসের মতো লক্ষণ দেখা দেয়, চিকিৎসকের সঙ্গে অবিলম্বে যোগাযোগ করুন।
❌ নিজে থেকে কোনো ওষুধ নিলে গর্ভকালীন সমস্যা বাড়তে পারে।
---
✅ উপসংহার
গর্ভাবস্থায় গ্যাসস্টিক সাধারণ সমস্যা হলেও উপযুক্ত খাদ্যাভ্যাস ও ঘরোয়া টিপস মেনে চললে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ছোট ছোট খাবার, পর্যাপ্ত পানি, হালকা ব্যায়াম ও বিশ্রাম গ্যাসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। তবে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
---
🔍
