![]() |
| শিশুর দাঁতের যত্ন ও মাড়ির যত্ন |
শিশুর দাঁত ও মাড়ি সুস্থ থাকা তার সঠিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। দাঁত ওঠার শুরু থেকেই মায়েদের শিশুর মুখগহ্বরের যত্ন নেওয়া উচিত। দাঁত ও মাড়ির যত্ন না নিলে ভবিষ্যতে দাঁতের ক্ষয়, ব্যথা বা দাঁতের ফাঁকা হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
---
👶 শিশুর দাঁতের যত্ন কিভাবে করবেন?
১. দাঁত ওঠার আগে মাড়ির যত্ন
শিশুর দাঁত ওঠার আগে নরম কাপড়ে গরম পানি দিয়ে প্রতিদিন মাড়ি আলতোভাবে মুছে দিতে হবে।
২. প্রথম দাঁত ওঠার পর পরিষ্কার
প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকে ছোট ও নরম ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। শিশুদের জন্য আলাদা টুথব্রাশ ব্যবহার করা উচিত।
৩. ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার
শিশুর বয়স অনুযায়ী অল্প পরিমাণ ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করলে দাঁত ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি কমে।
৪. রাতে দুধ খাওয়ার পর দাঁত পরিষ্কার
শিশুকে রাতে দুধ খাওয়ানোর পর দাঁত পরিষ্কার না করলে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে। তাই অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে।
৫. নিয়মিত ডেন্টিস্ট দেখানো
শিশুর দাঁত ওঠার এক বছরের মধ্যে অন্তত একবার দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া ভালো।
---
🦷 শিশুর মাড়ির যত্ন কিভাবে করবেন?
🍎 ১. স্বাস্থ্যকর খাবার দিন
ফল, সবজি ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার মাড়িকে শক্ত রাখে।
🚰 ২. পর্যাপ্ত পানি পান
শিশুকে পর্যাপ্ত পানি খাওয়ালে মাড়ি আর্দ্র থাকে এবং জীবাণু জমতে পারে না।
🧼 ৩. মুখ পরিষ্কার রাখা
দাঁত ওঠার আগে থেকে শিশুর মাড়ি ও জিহ্বা পরিষ্কার করা জরুরি।
🍬 ৪. অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলা
মিষ্টি বা চকলেট বেশি খেলে দাঁত ও মাড়ি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
---
⚠️ দাঁত ও মাড়ির সমস্যা হলে যা করবেন
শিশুর দাঁত কালচে বা গর্ত হলে
মাড়ি ফুলে গেলে বা রক্ত পড়লে
দাঁত ব্যথা করলে
👉 দ্রুত দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
---
✅ উপসংহার
শিশুর দাঁত ও মাড়ির যত্ন ছোটবেলা থেকেই শুরু করা উচিত। নিয়মিত পরিষ্কার, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং চিকিৎসকের পরামর্শে দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখা সম্ভব।
---
🔍
