![]() |
| কীভাবে বুঝবেন নবজাতকের জন্ডিস |
নবজাতকের জন্ডিস একটি খুবই সাধারণ সমস্যা। প্রায় অর্ধেকের বেশি নবজাতকের জন্মের পর প্রথম সপ্তাহে জন্ডিস দেখা দিতে পারে। সাধারণত এটি সাময়িক এবং সঠিক যত্নে সেরে যায়। তবে কখনও কখনও এটি গুরুতর অবস্থার কারণও হতে পারে। তাই নবজাতকের জন্ডিস চিহ্নিত করা খুবই জরুরি।
---
👶 নবজাতকের জন্ডিসের লক্ষণ
১. ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া
জন্ডিসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো শিশুর ত্বক এবং চোখের সাদা অংশ ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যাওয়া।
২. হলুদ রঙের প্রস্রাব
শিশুর প্রস্রাব স্বাভাবিকের চেয়ে গাঢ় বা হলুদ দেখালে জন্ডিসের সম্ভাবনা থাকে।
৩. গাঢ় রঙের মল
কখনও কখনও জন্ডিস হলে শিশুর মলের রঙ অস্বাভাবিকভাবে গাঢ় হয়ে যায়।
৪. দুর্বলতা ও ক্লান্তি
জন্ডিস আক্রান্ত নবজাতক স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি দুর্বল এবং ঘুমকাতুরে হয়ে যেতে পারে।
৫. খাওয়ায় অনীহা
শিশু দুধ খেতে অনীহা প্রকাশ করতে পারে অথবা দুধ খেলেও যথেষ্ট শক্তি পায় না।
---
⚠️ কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
শিশুর শরীরের হলুদ ভাব হাত-পা পর্যন্ত ছড়িয়ে গেলে
শিশুর চোখ বা প্রস্রাব বেশি হলুদ দেখালে
শিশু অতিরিক্ত ঘুমকাতুরে বা দুধ খেতে না চাইলে
জন্মের কয়েক দিনের পরও হলুদ ভাব কমে না এলে
এমন ক্ষেত্রে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
---
🍼 নবজাতকের জন্ডিসের যত্ন
শিশুকে নিয়মিত দুধ খাওয়াতে হবে (মায়ের বুকের দুধ সবচেয়ে কার্যকর)।
শিশুকে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসে রাখতে হবে।
চিকিৎসক নির্দেশ দিলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিতে হবে।
---
✅ উপসংহার
নবজাতকের জন্ডিস সাধারণত স্বাভাবিক ও সাময়িক হলেও লক্ষণগুলো বুঝে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ত্বক, চোখ ও প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন খেয়াল রাখলে সহজেই জন্ডিস চিহ্নিত করা সম্ভব এবং দ্রুত চিকিৎসা নিলে ঝুঁকি এড়ানো যায়।
---
🔍
